NBA Books

Book to watch | নজরে বই

Latest Edition

Bohurupi - বহুরূপী
- Sukumar Ray

Artificial Intelligence, Khay Na Mathay Dyay?

আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স খায় না মাথায় দেয়?

Editor/সম্পাদক
Nandini Mukhopadhyay • নন্দিনী মুখোপাধ্যায়
Sankhayan Choudhury • সাংখ্যায়ন চৌধুরী

Category/বিভাগ
Popular Science
জনপ্রিয় বিজ্ঞান

Publisher/প্রকাশক
Free Software Mancha West Bengal
ফ্রি সফটওয়্যার মঞ্চ পশ্চিমবঙ্গ

Language/ভাষা
Bengali - বাংলা

First Publication Year/প্রথম প্রকাশ
2026 • ২০২৬

Publication Year/প্রকাশ
2026

Edition/সংস্করণ
1

Binding/বাঁধাই
Paperback • পেপারব্যাক
21.5x13.5x1 cms
0 gms

Number of Pages/পাতা
96

Price/মূল্য
150

Discounted Price/বর্তমান মূল্য
₹ 135

Few words on Artificial Intelligence, Khay Na Mathay Dyay? | আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স খায় না মাথায় দেয়?


ChatGPT, Perplexity, Gemini, Grok ইত্যাদি নাম গুলো বিগত ২-৩ বছরের মধ্যে ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে। বড় বড় বাণিজ্যিক সংস্থার হাত ধরে রাস্তা থেকে শুরু করে বোকাবাক্সের পর্দা, সর্বত্র এর বিজ্ঞাপন বিদ্যমান। আর এর সাথে জড়িয়ে পড়েছে কিছু অশনি সঙ্কেত, কিছু অস্থিরতা, কিছু অনিশ্চয়তা।

  এ আই অর্থাৎ যান্ত্রিক বুদ্ধিমত্তার এক বিশেষ রূপ হলো জেনারেটিভ এ আই বা সৃজনশীল যান্ত্রিক বুদ্ধিমত্তা যা ChatGPT-এর মতো অ্যাপ্লিকেশন-এ ব্যবহৃত হয়। জেনারেটিভ এ আই হলো যান্ত্রিক বুদ্ধিমত্তার একটি আকর্ষণীয় শাখা যা ডেটা থেকে শেখা প্যাটার্নের উপর ভিত্তি করে লেখা, ছবি, ভিডিও, অডিও, এমনকি কম্পিউটার প্রোগ্রাম কোডের মতো তথ্য তৈরি করতে পারে।

  জেনারেটিভ এ আই বাস্তবে কোন প্রকৃত তথ্য বা জ্ঞানের উপর নির্ভর করে নতুন কিছু নির্মাণ করে না। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যালগরিদমগুলি কোনও বাক্য বা কোনও ছবির মধ্যে একটি প্যাটার্ন খুঁজে বার করার চেষ্টা করে এবং সেই প্যাটার্নের উপর নির্ভর করেই নতুন বাক্য বিন্যাস করে বা ছবি উদ্ভাবন করে। এই পদ্ধতির মধ্যে তাই যতটা তথ্য নির্ভরতা থাকা প্রয়োজন তা যথেষ্ট না থাকার সম্ভাবনা থেকেই যায়। প্রকৃত জ্ঞান নয়, অনেকটাই অনুমানের উপর ভিত্তি করে নতুন নির্মাণ ঘটে।

  তাই প্রশ্ন উঠে আসে "এ আই কি আমার চাকরি খেয়ে নেবে?", "এ আই কি সত্যিই মানুষের মতো বুদ্ধিমান?", "আমরা কি ক্রমশ আমাদের নিজেদেরই প্রতিস্থাপিত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছি?”

  আশা যেমন একরাশ, আশঙ্কাও আছে । সে সব সন্ধান দেবার চেষ্টা করা হয়েছে এই বইতে । ডিপফেক এর কারিকুরিতে কী সব ঘটতে পারে, ডেটা বায়াস কেমন ভাবে বিপত্তি ঘটায়- তার কিঞ্চিৎ আভাস অবশ্যই পাবেন। হাল আমলে, মানুষের যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী রূপে এ আই এর এই নবরূপে প্রকাশ মানুষকেই কিয়দংশে খেয়ে ফেলবে না তো? সন্দেহ অমূলক নয়, তাই কোথায় কী ভাবে এ আই ব্যবহার করা হবে অর্থাৎ এ আই এথিক্স খুব নজরকাড়া বিষয়, সেদিকগুলিও ছুঁয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন লেখকরা।

এই সংকলন গ্রন্থের লেখকদের নাম ও প্রবন্ধের শিরোনাম নিচে দেওয়া হল-

অরিজিৎ মুখার্জি- স্বপ্ন, প্রচার ও বাস্তবতা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাহিনি;
সুজয় মিস্ত্রী- AI টুলসের জগৎ: কাজের কৌশল, ব্যবহার ও প্রভাব;
অমর্ত্য চক্রবর্তী- জেনারেটিভ এ আই: অসাধারণ, অসাধু, অসংযত;
নন্দিনী মুখোপাধ্যায়- চ্যাটজিপিটি, জেমিনাই- বন্ধু না শত্রু;
আসিফ ইকবাল - ডিপফেক: মুখ, মিথ্যে ও মুনাফার শহর;
সৌমিক দাস - ডিপফেক কি ভবিষ্যতের ভূত?;
সৌম্যজিৎ রাহা - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: আইনের নিয়ন্ত্রণ ছাড়া বিপদ ভারতীয় দৃষ্টিকোণ
ও ড. দেবেশ দাস - ডেটা সুরক্ষা- কেন দরকার? প্রেক্ষাপট ও বর্তমান আইন।


বইয়ের নাম়/লেখক/কিওয়ার্ড