NBA Books

Book to watch | নজরে বই

Latest Edition

Phire Dekha: Bamfront Sarkarer Prothom Panch Bochhor - 1977-1982 - ফিরে দেখা: বামফ্রন্ট সরকারের প্রথম পাঁচ বছর - ১৯৭৭ - ১৯৮২
- Buddhadeb Bhattacharjee

May Dibosher Itihash

মে দিবসের ইতিহাস

Author/লেখক
Alexander Trachtenberg • আলেকজান্দার ট্রাকটেনবার্গ

Category/বিভাগ
History
ইতিহাস

Publisher/প্রকাশক
National Book Agency Private Limited
এনবিএ প্রাইভেট লিমিটেড

Language/ভাষা
Bengali - বাংলা

First Publication Year/প্রথম প্রকাশ
1953 • ১৯৫৩

Publication Year/প্রকাশ
2025

Edition/সংস্করণ
33

Binding/বাঁধাই
Pinned • পিন করা
17.6x12x0.2 cms
25 gms

Number of Pages/পাতা
32

ISBN
978-93-48778-39-0

Price/মূল্য
25

Discounted Price/বর্তমান মূল্য
₹ 22

Few words on May Dibosher Itihash | মে দিবসের ইতিহাস


মজুরি-শ্রমের ঘাড় ভেঙেই পুঁজি বেঁচে থাকে। শ্রমজীবী মানুষ দৈনন্দিন যে উদ্বৃত্ত-মূল্য সৃষ্টি করে তা পুঁজিপতিদের মুনাফায় রূপান্তরিত হয়।‌ শ্রমিকের কাজের সময় বৃদ্ধি করে মুনাফা বা‍ড়ানো পুঁজির মালিকদের এক স্বাভাবিক প্রবণতা। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশক‌‌ থেকেই শ্রমজীবীরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সংগঠিত করতে শুরু করে। ছোটবড়ো নানা খণ্ডযুদ্ধের পরে ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরের হে মার্কেটের কাছে বিক্ষোভ এবং শ্রমিকনেতাদের নিধন ইতিহাসে স্থান পায়। দীর্ঘ সংগ্রামের ফলে শ্রমিকদের অনধিক আট ঘন্টা কাজের দাবি সারা পৃথিবীর মালিকেরা মেনে নিতে বাধ্য হয়।

১৮৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের বিজয় এবং বাস্তিল দুর্গের পতনের শতবর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন দেশের শ্রমিক নেতৃবৃন্দ প্যারিস শহরে মিলিত হন। সেখানেই প্রথম পয়লা মে দিনটিকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত হলে মে দিবস সারা পৃথিবীর শ্রমজীবী মানুষের নিজস্ব দিন হয়ে ওঠে।

প্যারিস শহরে সেই ঘোষণার প্রায় তেইশ বছর পরে তাঁর এক নিবন্ধে স্ট্যালিন লিখেছিলেন, 
"গত শতাব্দীতে সব দেশের শ্রমজীবীরা প্রতিবছর পয়লা মে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয়। সে ছিল ১৮৮৯ সাল, যখন প্যারিস সম্মেলনে শ্রমিকরা সিদ্ধান্ত নেয় যে নির্দিষ্টভাবে এই দিনে, এই পয়লা মে-তে - যখন প্রকৃতি তার শীতঘুম ভেঙে জেগে ওঠে, বনভূমি এবং পর্বতমালা সবুজে আবৃত, মাঠ এবং উপত্যকা নিজেদের ফুলে সাজিয়ে নেয়, সূর্য আরও উত্তাপ বিকিরণ করে, প্রত্যাবর্তনের আনন্দে আকাশ ভরে ওঠে আর প্রকৃতি নৃত্য আর আনন্দে মাতে, ঠিক সেই দিনটিতে তারা উচ্চকণ্ঠে আর খোলাখুলি সমগ্র পৃথিবীকে জানাবে যে শ্রমিকেরা মানবতার জন্য বসন্ত আর পুঁজিবাদের জোয়াল থেকে মুক্তি নিয়ে আসছে, তারা জানাবে যে শ্রমিকদের লক্ষ্য হল স্বাধীনতা ও সমাজতন্ত্রের ভিত্তিতে এই দুনিয়ার পুনর্গঠন।

প্রত্যেক শ্রেণিরই নিজস্ব উৎসব থাকে। অভিজাতরা তাদের উৎসবের প্রবর্তন করেছিল এবং তা থেকে তারা কৃষকদের লুণ্ঠনের জন্য নিজেদের 'অধিকার' ঘোষণা করে। বুর্জোয়াদের নিজস্ব উৎসব রয়েছে, সেখান থেকে তারা তাদের শ্রমিকশোষণের 'অধিকার'কে 'ন্যায্য' বলে দেখায়। পাদরিদেরও নিজেদের উৎসব আছে, তারা তখন বিদ্যমান ব্যবস্থার প্রশংসা করে যে ব্যবস্থায় মেহনতিরা দারিদ্র্যের মাঝে মৃত্যুবরণ করে আর অলস লোকেরা বিলাসিতায় গড়াগড়ি খায়।

শ্রমিকদেরও নিজেদের উৎসব থাকতে হবে আর সেদিন তারা অবশ্যই সর্বজনীন শ্রম, সর্বজনীন মুক্তি, সব মানুষের সর্বজনীন সমতা ঘোষণা করবে। সেই উৎসব হল পয়লা মে-র উৎসব।

১৮৮৯ সালে শ্রমিকেরা এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।"

মে দিবসের ইতিহাস শ্রমজীবী মানুষের মুক্তির সংগ্রামের ইতিহাস, সেই পথে অটল থাকার সংকল্প মেহনতিরা এই দিনে আরও একবার সোচ্চারে ব্যক্ত করে।

 ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশক থেকে ইউরোপ ও আমেরিকার সংগঠিত শ্রমিক আন্দোলন এবং তার ফলশ্রুতিতে শ্রমজীবীদের অনধিক আট ঘণ্টা কাজের লড়াইয়ে জয়লাভের ইতিকথা প্রাঞ্জলভাবে তুলে ধরেছিলেন আমেরিকান কমিউনিস্ট পার্টির সভ্য আলেকজান্ডার ট্রাকটেনবার্গ। তাঁর লেখা 'মে দিবসের ইতিহাস' বইটি শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এই পুস্তিকার তেত্রিশতম সংস্করণ ন্যাশনাল বুক এজেন্সি সম্প্রতি প্রকাশ করেছে। বর্তমান সময়ে অধিকতর মুনাফার নেশায় অনধিক আট ঘণ্টা কাজের নিয়মকে প্রতিনিয়ত লঙ্ঘন করা হয়ে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে, মে দিবসে আন্তর্জাতিক শ্রমিকসঙ্ঘ থেকে যে সংকল্পগুলো ঘোষিত হয়েছিল তার নিরবচ্ছিন্ন চর্চা আজ খুবই প্রাসঙ্গিক।

Keywords/কীওয়ার্ড: May Diboser Itihas, Alexander Trachtenberg, International Labour Day, Nba Books, Bengali


বইয়ের নাম়/লেখক/কিওয়ার্ড